স্টাফ রিপোর্টার
১ মে ২০২৬, ৮:০২ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

আজ মহান মে দিবস

মহান মে দিবস আজ। বিশ্বব্যাপী শ্রমজীবী মানুষের আন্দোলন-সংগ্রামের স্বীকৃতির দিন। শ্রমিকদের দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে প্রতিবছর ১ মে সারা বিশ্বে দিবসটি পালন করা হয়।

 

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও গুরুত্বের সঙ্গে দিবসটি পালন করা হচ্ছে। প্রতিবছর দিবসটি উপলক্ষ্যে সরকারি ছুটি থাকে। তবে এ বছর শুক্রবারে মে দিবস হওয়ায় আলাদা করে ছুটির প্রয়োজন হচ্ছে না। এ বছর মে দিবসের প্রতিপাদ্য-‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নবপ্রভাত।’

 

দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন।

 

রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেছেন, ‘মহান মে দিবস এবং জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস’ উপলক্ষ্যে আমি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব শ্রমজীবী মানুষকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। শ্রমিকের অধিকার ও পেশাগত নিরাপত্তার গুরুত্ব বিবেচনায় দিবসের এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নবপ্রভাত’ সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।

 

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্রমজীবী-কর্মজীবী মানুষই যে কোনো দেশের উন্নয়ন, সমৃদ্ধি আর অগ্রযাত্রার প্রধান অবলম্বন। শ্রমিকের নিরলস পরিশ্রমেই গড়ে ওঠে শিল্প, কৃষি, অবকাঠামো ও সমৃদ্ধ অর্থনীতি। সুতরাং তাদের জীবনমান উন্নয়ন, ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতকরণ, নিরাপদ কর্মপরিবেশ সৃষ্টি এবং সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধানতম অঙ্গীকার।

 

তিনি বলেন, শ্রমবান্ধব নীতি, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং কল্যাণমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে শ্রমজীবী মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন নিশ্চিত করা সম্ভব। বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিশ্বাস করতেন শ্রমিকের দুটো হাত রাষ্ট্র এবং সমাজের সমৃদ্ধি এবং উন্নয়নের চাবিকাঠি। শ্রমজীবী-কর্মজীবী মানুষের কল্যাণের কথা ভেবেই শহীদ জিয়া নানা যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। তার প্রবর্তিত নীতি ও সংস্কার শ্রমিক কল্যাণের ভিতকে শক্তিশালী করেছে। বিদেশে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে শ্রমবাজার তৈরি করেছিলেন তিনি। সেই প্রবাসী শ্রমিকরা বর্তমানে দেশের অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি।

See also  হলফনামায় অসত্য তথ্য দিলে প্রার্থিতা বাতিল

 

১৮৮৬ সালের এ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের হে মার্কেটের শ্রমিকরা ৮ ঘণ্টা কাজের দাবিতে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। ওই সময়ে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ঘিরে থাকা পুলিশের ওপর অজ্ঞাতনামা কেউ বোমা নিক্ষেপ করলে পুলিশ শ্রমিকদের ওপর গুলি চালায়। এতে ১০-১২ জন শ্রমিক ও পুলিশ নিহত হন। ওই দিন তাদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে বিশ্বে শ্রমিক শ্রেণির অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে দিবস পালনের সিদ্ধান্ত হয় আরও পরে।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কৃষিমন্ত্রীর মায়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

এলজিইডির আদেশ: কালিহাতী উপজেলা প্রকৌশলীর অতিরিক্ত দায়িত্বে ছানোয়ার

বিআরটিএ-তে ছদ্মবেশে দুদক, ঘুস নিতে গিয়ে ধরা আনসার সদস্য

ইতালিতে বাঁধনের ওপর হামলার প্রতিবাদ সংসদে

হলফনামায় অসত্য তথ্য দিলে প্রার্থিতা বাতিল

২০৩১ সালের মধ্যে ৪৫ লাখ মানুষকে দক্ষতাভিত্তিক সাক্ষরতায় আনার পরিকল্পনা

বিদুৎ সংকট কমবে কবে, জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

আগামী মাসেই চালু হতে পারে মৈত্রী-বন্ধন-মিতালী এক্সপ্রেস, ঢাকা–দিল্লি আলোচনা শুরু

বাল্যবিবাহ সামাজিক সংকট: মাহদী আমিন

ঢাকার দুই সিটির মসনদ কাঁপাতে প্রস্তুত দুই তরুণ তুর্কি

১০

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে নতুন সিদ্ধান্ত

১১

ইরানের সঙ্গে কোনো পরমাণু চুক্তি না হওয়ার আভাস ট্রাম্প প্রশাসনের

১২

‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সব ধরনের সহযোগিতায় আগ্রহী বাংলাদেশ’

১৩

যবিপ্রবি প্রেসক্লাব এর নতুন দায়িত্বে আল আমিন – হাবিব

১৪

বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবসে যবিপ্রবিতে সপ্তাহব্যাপী ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্পের উদ্বোধন

১৫

আসন্ন উপজেলা নির্বাচনের বিধিমালা জারি, পোস্টার-মিছিলসহ যেসব বিষয় নিষিদ্ধ হলো

১৬

সারা দেশে বৃষ্টির আভাস

১৭

র‍্যাব থেকে এসআরবি: ক্ষমতা ও জবাবদিহি নিয়ে টিআইবির উদ্বেগ

১৮

ঢাকার যানজট নিরসনে ৪ টার্মিনাল দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে

১৯

রিয়াজুল হত্যা: হাসিনা-কাদেরসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

২০

Design & Developed by: BD IT HOST