মুন্সিগঞ্জের পশ্চিম মুক্তারপুর দেওয়ান হিমাগার। মৌসুমের শেষ পর্যায়, তবু শেড সয়লাভ আলুতে। বিক্রি হচ্ছে না তেমন।
শুধু এখানেই নয় জেলার অধিকাংশ হিমাগারে এখনো মজুদ বিপুল পরিমাণ আলু। কেননা চাহিদার তুলনায় ফলন হয়েছে ঢের বেশি। তাই বাজারে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত দাম। হিমাগার পর্যায়েই ক্রমাগত দরপতনে কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকারও কমে। ব্যবসায়ীরা বলছেন এমন লোকসান হলে, আগামীতে চাষাবাদ নিয়েও দেখা দেবে শঙ্কা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, জেলায় এবছর ১০ লাখ ৬ হাজার টন আলু উৎপাদন হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, নতুন মৌসুমের জন্য আগামী নভেম্বরের মধ্যে খালি করতে হবে হিমাগার। তবে নির্ধারিত সময়ে এসব আলু বাজারজাত করা নিয়ে রয়েছে সংশয়।
সংকট নিরসনে রপ্তানি ও সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে আলু অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হচ্ছে বলে জানালেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ অফিসার তাজুল ইসলাম।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST