ছাত্র উপদেষ্টারা চান এনসিপি আগামী নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির সঙ্গে জোট করুক। তবে এনসিপির শীর্ষ নেতৃত্বসহ অধিকাংশ নেতা এর জন্য অন্তত ২০টি আসন, নির্বাচনের মাঠে সাংগঠনিক সহায়তা এবং দলের বিদ্রোহী প্রার্থী না থাকার নিশ্চয়তা চান। এই নিশ্চয়তা না পেলে তারা বিএনপির সঙ্গে জোট করতে রাজি নন। বিকল্প হিসেবে তারা জামায়াতের সঙ্গে বিএনপিবিরোধী বৃহত্তর নির্বাচনী সমঝোতায় যেতে চান। ফলে দোটানায় পড়েছে জুলাই অভ্যুত্থানের ছাত্রনেতাদের গঠিত এনসিপি।এই নেতারা জানিয়েছেন, দুই উপদেষ্টা ছাড়াও এনসিপির শীর্ষ ১০ নেতার অন্তত দুজন বিএনপির সঙ্গে জোট চান। তাদের একজন ঢাকায়, আরেকজন উত্তরবঙ্গে বিএনপি জোটের প্রার্থী হতে চান। দুই ছাত্র উপদেষ্টার একজন জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতায় আগ্রহী নন। অন্য উপদেষ্টার অভিমত, আগামী নির্বাচনের পর রাজনৈতিক সরকারের সময়ে নিরাপত্তার কারণে বিএনপির সঙ্গে থাকা উচিত।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রনেতৃত্বের সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্তর্বর্তী সরকারের একাধিক উপদেষ্টাও চান বিএনপির সঙ্গে জোট করুক এনসিপি। তবে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন এনসিপির চাহিদা পূরণ ছাড়া বিএনপির সঙ্গে জোটে যেতে রাজি নন।সংস্কার ও গণভোট নিয়ে কাছাকাছি অবস্থানের কারণে এনসিপি কি জামায়াতের সঙ্গে যেতে চায়– এ প্রশ্নের জবাবে আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, বিএনপি নির্বাচন এবং গণভোট এক দিনে চেয়েছিল, তা-ই হচ্ছে। এতে এনসিপির আপত্তি নেই। সংস্কারের জন্য এনসিপিসহ ৯ দল সমঝোতার উদ্যোগ নিয়েছিল। নিজস্ব একটি জোট তৈরির প্রাথমিক আলোচনাও আছে। আবার দলের অধিকাংশ নেতা মত দিয়েছেন, এনসিপি ৩০০ আসনে এককভাবে নির্বাচন করুক। তাই কারও সঙ্গে জোট হবেই– এমনটা এখনই বলা যাচ্ছে না।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST