রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। তবে অন্যান্য সময়ের তুলনায় এবারের ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল অনেকটা বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ঘটনা আবারও স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যে বাংলাদেশ বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে।

শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৩৮ মিনিট ২৬ সেকেন্ড অনুভূত হওয়া এই ভূমিকম্প মাঝারি আকারের হলেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জীবদ্দশায় তারা এমন কম্পন আগে অনুভব করেননি।ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, সক্রিয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত বাংলাদেশ ব্যাপক ভূমিকম্পের ঝুঁকির মুখোমুখি। এখানকার ঘনবসতি, পুরোনো অবকাঠামো এবং বিল্ডিং কোডের দুর্বল প্রয়োগ এই বিপদগুলোকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। অবিলম্বে পদক্ষেপ না নেওয়া হলে ভবিষ্যতের জন্য একটি ভয়াবহ দৃশ্য অপেক্ষা করছে।আজ সারা দেশে যে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে, এর উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর মাধবদী। এর আগেও জানুয়ারি মাসের প্রথম সাত দিনে দেশে দুবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এর মধ্যে ৭ জানুয়ারি সকালে অনুভূত হওয়া ভূমিকম্প ছিল তীব্র ধরনের। আর গত ৩ জানুয়ারি হওয়া ভূমিকম্পটি ছিল মাঝারি মাত্রার। তবে এই দুটি ভূমিকম্পেরই উৎপত্তিস্থল বাংলাদেশের বাইরে ছিল।আজকের ভূমিকম্পের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. সৈয়দ হুমায়ুন আখতার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমার জীবদ্দশায় এমন ভূমিকম্প আগে অনুভব করিনি। আজকের ভূমিকম্প সামনের দিনের আরও বড় ভূমিকম্পের সতর্কবাণী দিচ্ছে। এখন থেকে সাবধান না হলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে রাজধানী তীব্র ঝুঁকিতে রয়েছে।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST