নওগাঁ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অপরাধ দমন, মাদকবিরোধী অভিযান এবং থানার কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কঠোর ভূমিকা পালন করছেন বলে দাবি করেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, ওসি আসাদুজ্জামান যোগদানের পর থেকেই অপরাধীদের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান নিয়ে এক ধরনের ভীতি তৈরি হয়েছে। নিয়মিত টহল, ওয়ারেন্ট তামিল, মাদক উদ্ধার ও চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানের কারণে অপরাধীরা আগের মতো সক্রিয় হতে পারছে না।
এছাড়া, থানাকেন্দ্রিক দালালচক্রের দৌরাত্ম্য কমাতে তিনি জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন। ফলে সাধারণ মানুষ এখন মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি থানায় এসে আইনি সেবা নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন, যা পুলিশের প্রতি জনসাধারণের আস্থা অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে বলে অনেকের অভিমত।
সচেতন মহলের বক্তব্য:
“অপরাধী ও স্বার্থান্বেষী একটি মহল নিজেদের অবৈধ সুবিধা বন্ধ হওয়ায় ওসির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।”
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কয়েকটি অনলাইন পোর্টালে ওসি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানকে জড়িয়ে কিছু নেতিবাচক তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। তবে সেগুলোকে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ‘অপপ্রচার’ বলে দাবি করেছেন তার সমর্থক ও স্থানীয় একাধিক সচেতন নাগরিক।
তাদের ভাষ্য, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ওসি আসাদুজ্জামান সম্পূর্ণ আইনানুগভাবে পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তার বিরুদ্ধে আনীত কোনো অভিযোগই এখন পর্যন্ত যথাযথ তদন্তে প্রমাণিত হয়নি। তাই যাচাই-বাছাই ছাড়া বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের ওপর আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
সর্বসাধারণের প্রত্যাশা— অপরাধ, মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে নওগাঁ সদর থানার চলমান এই কঠোর অবস্থান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের এ ধরনের জনবান্ধব কার্যক্রম আরও বেগবান হবে।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST