“দেশের অর্থনীতির লাইফলাইন চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশীদের হাতে তুলে দেওয়া ভবিষ্যতে গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়াবে”—এ কথা উল্লেখ করে কঠোর নিন্দা জানিয়েছেন জাতীয় দল ও ১২ দলীয় জোটের সমন্বয়ক সৈয়দ এহসানুল হক।
আজ এক যৌথ বিবৃতিতে ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বলেন, অস্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় এবং অতি দ্রুততার সঙ্গে চট্টগ্রামসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জাতীয় স্বার্থবিরোধী এবং দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতির জন্য মারাত্মক হুমকি। তারা মনে করেন, বিদেশিদের কাছে কনটেইনার টার্মিনাল হস্তান্তর করলে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বও ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, পোর্ট ও টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব বিদেশিদের হাতে দিলে জাতীয় নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে বহু জটিলতা তৈরি হবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নেই বলেও তারা দাবি করেন। তাদের মতে, অতীতের স্বৈরাচারী সরকার দেশের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে যে তাবেদার রাষ্ট্রের চিত্র তৈরি করেছিল, বর্তমান সরকারও সেই পথেই এগোচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশের জনগণ ও জনমতের বিরুদ্ধে গৃহীত যে কোনো পদক্ষেপ ভবিষ্যতে তীব্র জনরোষ সৃষ্টি করবে। তাই অবিলম্বে দেশবিরোধী চুক্তি থেকে সরে আসার জন্য সরকারের প্রতি জোট নেতারা উদাত্ত আহ্বান জানান। অন্যথায় ১২ দলীয় জোট দেশব্যাপী দুর্বার গণআন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেয়।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন:
মোস্তফা জামাল হায়দার (চেয়ারম্যান, জাতীয় পার্টি ও ১২ দলীয় জোটপ্রধান),
শাহাদাত হোসেন সেলিম (চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ এলডিপি ও জোটের মুখপাত্র),
সৈয়দ এহসানুল হুদা (চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ জাতীয় দল ও জোটের সমন্বয়ক),
ড. গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম (মহাসচিব, জমিয়াতে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ),
অধ্যাপক নুরুল আমিন বেপারী (চেয়ারম্যান, বিকল্পধারা বাংলাদেশ),
লায়ন ফারুক রহমান (চেয়ারম্যান, ন্যাশনাল লেবার পার্টি),
শামসুদ্দিন পারভেজ (চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি),
মাওলানা আব্দুর রকিব (চেয়ারম্যান, ইসলামী ঐক্যজোট),
আবুল কাশেম (মহাসচিব, ইসলামিক পার্টি),
ফিরোজ মো. লিটন (চেয়ারম্যান, প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দল—পিএনপি),
এম এ মান্নান (সভাপতি, নয়া গণতান্ত্রিক পার্টি)।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST