বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার দেবীপুর এলাকায় জমি অধিগ্রহণ ছাড়াই নতুন সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় এলাকাবাসী বগুড়ার শিবগঞ্জ সহকারী জজ আদালতে মামলা করেছেন। এতে নতুন সেতু নির্মাণ কাজ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।
মামলায় বিবাদী করা হয়েছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী, প্রকল্প পরিচালক পাবনা-বগুড়া গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প এলজিইডি, জেলা প্রশাসক বগুড়া, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী বগুড়া, শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রকৌশলীকে। দেড় যুগ আগে করতোয়া নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। সেটি ভেঙে ৭২ মিটার দীর্ঘ ও ২৪ মিটার প্রশস্ত নতুন আরসিসি গার্ডার সেতু নির্মাণের জন্য ৬ কোটি ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার প্রকল্পে দরপত্র দেওয়া হয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ পেলেও জমি নিয়ে জটিলতার কারণে কাজ শুরু করতে পারেনি।নতুন সেতুটি আগের স্থান থেকে কিছুটা সরিয়ে নির্মাণ করলে বেশ কয়েকজনের জমি সেতুর মধ্যে পড়ে যায়। জমি অধিগ্রহণ বা ক্ষতিপূরণ ছাড়া সেতু করলে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় দেবীপুর গ্রামের তসলিম উদ্দিনসহ সাতজন মামলা করেন। বিবাদী করা হয়েছে এলজিইডি ও প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তাকে।
এলাকাবাসী বলছেন, পুরোনো সেতু মেরামত করলেই চলবে। নতুন সেতু করলে জমি অধিগ্রহণ করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। জমির ওপর দিয়ে সেতু করলে মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন; লাভবান হবে ঠিকাদার।উপজেলা প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন বলেন, এলাকাবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এতে কেউ কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হতেই পারেন। মামলার কারণে সেতু নির্মাণ কাজ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন এ কর্মকর্তা। নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাসুদ্দুজামান বলেন, যে সেতু আছে তা অত্যন্ত সরু। চলাচল করা যায় না। জমির মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করেই সেতু নির্মাণ করা হবে। প্রয়োজনে জমি অধিগ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST